মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ অক্টোবর ২০২১

রপ্তানি অনুবিভাগ

রপ্তানি অনুবিভাগ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশত বার্ষিকী ও স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের মাইলফলকে অবস্থান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক ঘোষিত রূপকল্প অনুযায়ী ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে রপ্তানি অনুবিভাগ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

দ্রুত পরিবর্তনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে গতিশীল ও বহুমুখী করে তোলা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি অনুবিভাগ এর মূল কাজ। রপ্তানি নীতি প্রণয়ন, বিদেশে বাণিজ্য প্রতিনিধি প্রেরণ, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন, আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ, পণ্য বহুমুখীকরণ, রপ্তানিযোগ্য পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার প্রভৃতি অর্জনের লক্ষ্যে ও বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণের জন্য Branding Bangladesh কে সামনে রেখে এ অনুবিভাগ থেকে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

রপ্তানি অনুবিভাগের কার্যাবলি:

  • প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের রপ্তানির ক্ষেত্রে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে রপ্তানি সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;
  • রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, রপ্তানি স্ট্র্যাটেজি ও এ্যাকশন প্লান প্রণয়ন, গার্মেন্টস শিল্পের সমস্যা সংক্রান্ত কর্মকান্ড, বাণিজ্য বিরোধ, রপ্তানি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান;
  • বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমগ্র আফ্রিকা, ইউরোপ, সমগ্র এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্গত সকল দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন ও বাস্তবায়ন (সার্কভূক্ত, মধ্যপ্রাচ্য ও বিমসটেক ব্যতীত);
  • চুক্তিভূক্ত দেশসমূহের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি মোতাবেক গঠিত যৌথ ওয়ার্কিং কমিশন, যৌথবাণিজ্য  কমিশন, অর্থনৈতিক কমিশন ও যৌথ বাণিজ্য কমিটির সভাসহ বাণিজ্য পর্যালোচনার জন্য আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পাদন;
  • রপ্তানি পণ্যের মান উন্নয়ন, মানসনদ ও অন্যান্য সনদ সংক্রান্ত বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের দপ্তরের সাথে কার্যক্রম গ্রহণ;
  • পণ্য বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাণিজ্য প্রতিনিধিদল প্রেরণ;
  • দেশীয় পণ্যের মান উন্নয়ন এবং এর প্রতিযোগিতার সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে দেশের অভ্যন্তরে আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন;
  • রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বৈদেশিক বাণিজ্যিক উইং স্থাপন;
  • প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রপ্তানি বাজারে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে প্রতি বছর ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে সিআইপি কার্ড ও রপ্তানি ট্রফি প্রদান;
  • দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত ও প্রতিযোগী করার লক্ষ্যে কতিপয় নির্দিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানি ভর্তুকি/নগদ সহায়তা প্রদান;
  • বাংলাদেশ চা বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় চা শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ;
  • রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা অর্জনে কার্যক্রম গ্রহণ;
  • বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উন্নয়ন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাদি।

রপ্তানি অনুবিভাগ কর্তৃক ‘মুজিব বর্ষ’ ও ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম:

(১) প্রথম জাতীয় চা দিবস উদযাপন:

‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, চা শিল্পের প্রসার’ শ্লোগান নিয়ে ০৪ জুন, ২০২১ তারিখে ‘জাতীয় চা দিবস’ উদযাপন করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হিসেবে ৪ জুন ১৯৫৭ হতে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, চা শিল্পে তাঁর অবদানকে অবিস্মরণীয় করে রাখা এবং চা শিল্পের গুরুত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার কর্তৃক প্রতি বছর জাতীয় চা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব টিপু মুনশি এমপি উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এবং জনাব ইমরান আহমদ এমপি মাননীয় মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়। এ উপলক্ষে ০৬/০৬/২০২১ তারিখ সকাল ১১.০০ ঘটিকায় জুম এ্যাপের মাধ্যমে “বাংলাদেশের চা শিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত চা বিদেশে ব্রান্ডিং এর জন্য উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

(২) বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি:

জাতীয় রপ্তানি ট্রফি নীতিমালা-২০১৩ অনুযায়ী ইতোপূর্বে সর্বোচ্চ রপ্তানিকারককে “জাতীয় রপ্তানি ট্রফি” প্রদান করা হতো। মুজিববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ  রপ্তানিকারককে “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি” প্রদান করা হবে।

(৩) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কনফারেন্স’ আয়োজনের কার্যক্রম চলমান আছে।

রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সাম্প্রতিক গৃহীত উদ্যোগ ও অর্জন:

  • রপ্তানি নীতি (২০২১-২৪) প্রণয়ন-এর কার্যক্রম গ্রহণ;
  • ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরের রপ্তানি আয় ছিল ১৫.৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১৯৩.৮% প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে;
  • ২০২০-২১ অর্থবছরে বিশ্বের মোট ২০১টি দেশে ৭৩০টি পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হয়েছে;
  • রপ্তানি বৃদ্ধিতে নগদ সহায়তা প্রদানের আওতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৮টি রপ্তানি পণ্যে ২% থেকে ২০% পর্যন্ত নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে;
  • রপ্তানি পণ্য তালিকায় নতুন নতুন রপ্তানি পণ্য সংযোজনের লক্ষ্যে ও বহিঃবিশ্বের বাংলাদেশী পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য ঢাকা আন্তর্জাতিক মেলা আয়োজনসহ বহিঃবিশ্বের বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ীগণকে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে প্রতি বছর একটি সম্ভাবনাময় পণ্যকে বর্ষপণ্য (Product of The Year) ঘোষণা করা হয়;
  • রপ্তানি বাণিজ্য উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে সিআইপি (রপ্তানি) নির্বাচন ও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান: রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সিআইপি (রপ্তানি) নির্বাচন এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালে (২০১৭ সালের জন্য) ১৮২ জন ব্যক্তিকে সিআইপি (রপ্তানি) কার্ড প্রদান করা হয়। একইভাবে সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ৬৭টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হয়। হালনাগাদ সিআইপি (রপ্তানি) নির্বাচন এবং জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে;
  • রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য কূটনীতি জোরদার করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক উইং এর সংখ্যা ২৩টিতে উন্নীত করা হয়েছে, রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কৌশল বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানসহ রিপোর্টিং ফরম্যাট হালনাগাদ করা হয়েছে;
  • রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১০১২.১২ কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপোর্ট কম্পেটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্প (Ec4j) বাস্তবায়ন করছে। Ec4j প্রকল্পের আওতায় সম্ভাবনাময় পণ্যের মানোন্নয়ন এবং কারিগরি উৎকর্ষ সাধনসহ গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৪টি Technology Center নির্মাণের ভৌত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্লাস্টিক সেক্টরের এর উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি বাজারে প্রবেশের জন্য বিদ্যমান শর্তাবলি প্রতিপালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে;
  • স্বর্ণনীতিমালা (Gold Policy)-২০১৮ (সংশোধিত)- জারি ও তাঁর আওতায় স্বর্ণ পরিশোধানাগার (Gold Refinery) স্থাপন ও পরিচালনায় অনুসরণীয় পদ্ধতি (Standard Operating Procedure) প্রণয়ন;
  • নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা করা;
  • বাংলাদেশ ট্রেড পোর্টাল সংক্রান্ত রপ্তানি অনুবিভাগের কার্যাবলি/তথ্যাবলি প্রতিনিয়ত হালনাগাদকরণ;
  • বাণিজ্য বিরোধ নিরসনকল্পে কার্যক্রম গ্রহণ;
  • বিভিন্ন  দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক ও হালাল খাদ্য পণ্য রপ্তানির জন্য দেশের সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের সাথে কার্যকর বাণিজ্য যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সেসব দেশে অবস্থিত দূতাবাস ও বাণিজ্যিক উইংকে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে এবং অগ্রগতি নিয়মিত পরিবীক্ষণ করা হচ্ছে;
  • পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশের বর্তমান ভাবমূর্তি বিবেচনায় রপ্তানি বহুমুখীকরণের সুযোগ ও সম্ভাবনা আরো সংহত করার জন্য আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত নিশ্চিত করতে পণ্যভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণের অংশ হিসেবে আইসিটিসহ পাটজাত ও কৃষিজাত পণ্যের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে;
  • আরএমজি রপ্তানি খাতে সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা বজায় রাখার জন্য একটি সাব-কন্ট্রাক্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই খাতের শ্রমিক কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে একটি ঘুর্ণায়মান তহবিল গঠন করা হয়েছে এবং নিয়মিতভাবে শ্রমিক কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১১,০৫২ জন শ্রমিক এর আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে;
  • আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে দেশের প্রেক্ষাপটের সাথে মানানসই কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে German Agency for International Cooperation (GIZ)-এর কারিগরী সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের জন্য কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে;
  • বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

Share with :

Facebook Facebook